Thursday, July 7, 2022

Sopno

sopne ki dekhle ki hoy, অক্ষর দিয়ে স্বপ্নের সঠিক ব্যাখ্যা, স্বপ্নের ফজিলত জানুন।

স্বপ্ন কেনা দেখে, ভালো স্বপ্ন, খারাপ স্বপ্ন, সকল ধরন স্বপ্নের ফলাফল জানতে আমাদের এই অ্যাপ। sopner bekkha/ sopner bakkha জানাটা খুবিই জুরুরি।;
স্বপ্নের ব্যাখ্যা একটি শরয়ী বিদ্যা কথাটি বলেছেন শায়খ আব্দুর রহমান আস সাদী রহ.। সোলেমানি খাবনামা অনুযায়ী বিভিন্ন স্বপ্নের বিবিধ ফলাফল দেখতে অক্ষর দিয়ে স্বপ্নের সঠিক ব্যাখ্যা ও ফজিলত জানুন। সঠিক স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানা সকলের জন্য জরুরী। কেননা স্বপ্ন অনেক গুরুত্বপপূর্ন তথ্য বয়ে আনে। এপটিতে অক্ষর অনুযায়ী অনেক স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেওয়া আছে যার জন্য স্বপ্নের ফলাফল সহজেই খুজে বের করা যাবে। হযরত ইউসুফ (আঃ) স্বপ্নের ব্যাখ্যাকে ফতোয়া বলে আখ্যায়িত করেছেন, তিনি তার জেল সঙ্গী দুজনেকে তাদের জানতে চাওয়া স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানিয়ে বলেছিলেন : তোমরা দুজনে যে বিষয়ে ফতোয়া চেয়েছিলে তার ফয়সালা হয়ে গেছে। (সূরা ইউসুফ, আয়াত ৪১)
এই অ্যাপটিতে রয়েছে :

১। সহীহ বুখারী (ইফাঃ) / অধ্যায়ঃ৮০/স্বপ্নের ব্যাখ্যা প্রদান
২। স্বপ্নে কালো মহিলা দেখা।
৩। স্বপ্নে এলোমেলো চুলবিশিষ্ট মহিলা দেখা।
৪। স্বপ্নে নিজের তরবারি নাড়াচাড়া করতে দেখা।
৫। স্বপ্নে অপছন্দনীয় কোন কিছু দেখলে তা কারো কাছে না বলা এবং সে সম্পর্কে কোন আলোচনা না করা।
৬। ভূল ব্যাখ্যাকারীর ব্যাখ্যাকে প্রথমেই চুড়ান্ত বলে মনে না করা।
৭। অক্ষর দিয়া স্বপ্নের ফলাফল।

৮। দুঃস্বপ্ন দেখলে যা করতে হবে।
৯। স্বপ্নের মধ্যে স্বপ্ন দেখার মানে কি?
১০। মায়ের কবর স্বপ্ন দেখা।
১১। মা স্বপ্নে খেজুর খেতে চাচ্ছে এর ব্যাখ্যা কি?
১২। স্বপ্নে নিজের বিয়ে হতে দেখার মানে কি?
১৩। স্বপ্নে প্রায়শই ভূত দেখা।
১৪। কোরআনের আলোকে স্বপ্নের ব্যাখ্যার কিছু উদাহরন।;
অ থেকে ক্ষ পর্যন্ত অক্ষর দিয়ে দেখা ৫০০+ স্বপ্নের ব্যাখ্যা
স্বপ্ন দেখলে কি করতে হবে - ইসলামী বিধান
খারাপ স্বপ্ন দেখলে করনীয় - হাদিসের আলোকে
স্বপ্নের যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয় সেভাবে তা বাস্তবায়িত হয় - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সবাই কি স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিতে পারবে?
কোরআনের আলোকে স্বপ্নের ব্যাখ্যার কিছু উদাহরণ
স্বপ্নের ব্যাখ্যা প্রদান এর ধরণ
হাদীস এর আলোকে স্বপ্নের ব্যাখ্যার কিছু উদাহরণ
খারাপ স্বপ্নের ভালো ব্যাখ্যার উদাহরণ - কোরআনের আলোকে
মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখা -ভালো না খারাপ?
ইসলামে বর্ণিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ও বিখ্যাত স্বপ্নের গল্প
ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহ. অনুযায়ী স্বপ্নের ব্যাখ্যা, ভাল স্বপ্নের বাস্তবায়ন দেরীতে হয়।

সোলেমানি খাবনামার বই বাজারে প্রচুর পাওয়া যায় কিন্তু আমাদের এই স্বপ্নের সঠিক ব্যাখ্যার বই তাদের চেয়ে কোন অংশে কম নয় উপরন্ত এই আপ আরও উত্তম। অনেকেই আছে যারা বাজারে স্বপ্নের বিভিন্ন রকম বই খুঁজে বেড়ান যেমন, কোন স্বপ্ন দেখলে কি হয়, কোন স্বপ্নের অর্থ কি অথবা স্বপ্নের ব্যাখ্যা এবং ইসলামিকভাবে স্বপ্নের ব্যাখ্যা ও খাবনামা ইত্যাদি।

Tuesday, October 8, 2019


অফিস-আদালত : দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর খুলনা বিভাগীয় সদর। এ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দশটি জেলা। এখানে বিভাগীয় কমিশনারের সচিবালয়, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়, কালেক্টরেট ভবন, জজকোর্ট, খুলনা জেলা পরিষদ ভবন, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়, মুখ্য মহানগর হাকিমের কার্যালয়, সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ অফিসসমূহ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভবন, বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত, বন ভবন, সুন্দরবন বিভাগের কার্যালয়, বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন অফিস, পোস্ট মাস্টার জেনারেল দক্ষিণাঞ্চলের কার্যালয়, কর বিভাগের অফিস, কাষ্টমস হাউস, রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো অফিস, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা উপ পরিচালকের অফিসসহ বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিস, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্ন অফিস, ওষুধ প্রশাসনের অফিস, মৎস্য পশু খাদ্য, বিদ্যুৎ, পানি, দুর্নীতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, কৃষি, শিপিং, তথ্য বিভাগ, যুব উন্নয়ন অধিদফতর, পাসপোর্ট অফিস, গণপূর্ত বিভাগ, ফ্যাসিলিটিজ বিভাগ, জনস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিভাগের অফিস রয়েছে।
শিল্পকলকারখানা : উন্নত সড়ক, নৌ ও রেল যোগাযোগের কারণে গত শতাব্দীর ৫০'এর দশকে খুলনায় একের পর এক শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠতে থাকে। ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে মাত্র ১৭ বছরে দৌলতপুর জুট মিল্স লিঃ, প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিল্স লিঃ, ষ্টার জুট মিল্স লিঃ, ক্রিসেন্ট জুট মিল্স লিঃ, পিপলস জুট মিল্স লিঃ, এ্যাজাক্স জুট মিল্স লিঃ, সোনালী জুট মিল্স লিঃ, মহসিন জুট মিল্স লিঃ, আলীম জুট মিল্স লিঃ, ইষ্টার্ণ জুট মিল্স লিঃ ও আফিল জুট মিল্স লিঃ, নিউজপ্রিন্ট মিল্স, হার্ডবোর্ড মিল্স, কেবল ফাক্টরি, টেক্সটাইল মিল্স, দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি, শিপইয়ার্ড, ডকইয়ার্ড, জুট বেলিং প্রেসসহ সরকারি বেসরকারি বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। এছাড়া স্বাধীনতার পর সাদা সোনা চিংড়ি ও সাধা মাছ চাষের ফলে খুলনাতে গড়ে উঠেছে অর্ধ শতাধিক মাছ কোম্পানি। এসব শিল্প কলকারখানায় হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। তবে গত শতকের ৮০'র দশকে সরকারের ভ্রান্তনীতির কারণে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসানের কবলে পড়তে থাকে। এক পর্যায়ে নিউজপ্রিন্ট মিল্স, দৌলতপুর জুটমিলসহ বেশ কয়েকটি ভারী শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। এতে খুলনার ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে আসে। তবে শিল্প নগরী খুলনা আবারো ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি জুটমিলসহ শিল্প প্রতিষ্ঠান। খুলনা শিপইয়ার্ড লোকসান কাটিয়ে উঠে এখন লাভ করছে। ইতিমধ্যে এখানকার তৈরি যুদ্ধ জাহাজ বাংলাদেশ নৌ বাহিনী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া জাহাজ রফতানির জন্য বিদেশের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে খুলনা শিপইয়ার্ড। এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

সিনেমা হল : আকাশ সংস্কৃতির অবাধ প্রবেশ, নিমোনের চলচ্চিত্র নির্মাণ ও দর্শক হারানোর কারণে খুলনার ২০টি সিনেমা হলের মধ্যে ১১টিই বন্ধ হয়ে গেছে। আর যেসব হল চালু রয়েছে সেগুলো চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। সেই সঙ্গে বন্ধের তালিকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি হল। বর্তমানে যেসব সিনেমা হল চালু রয়েছে সেগুলো হলো-শক্মখ, সংগীতা, সোসাইটি, পিকসার প্যালেস, ঝিঁনুক, চিত্রালী, লিবার্টী, গ্যারিসন এবং রূপসাগর।\n\n

সুন্দরবন : সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ। অববাহিকার সমুদ্রমুখী সীমানা এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত। ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী' স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

সুন্দরবনের পুরোটাই যেন অজানা রূপ-রহস্য আর রোমাঞ্চে ভরা। বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বনের বাসিন্দা ভয়ঙ্কর সুন্দর বেঙ্গল টাইগার কিংবা বিষধর সাপ শক্মখচূড়া। আরও আছে জলের বাসিন্দা কুমির, ডলফিন, হাঙ্গর, বিরল প্রজাতির কচ্ছপ ও পাখ-পাখালির দল। সুন্দরবনের শক্মখচূড়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিষধর সাপ। এ সাপ ভারতের কেরালা থেকে শুরু করে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া হয়ে ফিলিপাইন পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের ঘন জঙ্গলে দেখতে পাওয়া যায়। ওজনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পাইথন সুন্দরবনে পাওয়া যায়। তবে সংখ্যায় অত্যন্ত কম।কুমিরের ৩৬ প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে বড় ইন্দোপ্যাসিফিক খাঁড়ির কুমির। এ কুমিরের কিছু সুন্দরবনে এখনো বেঁচে আছে। এদের দু-একটি শিকারিদের এড়িয়ে এখনোটিকে আছে যেগুলোর আকার দুঃস্বপ্নে দেখা অতিকায় ডাইনোসরের মতো। সুন্দরবনের গাছের মধ্যে আছে সুন্দরী, গরান, ধুন্ধল, কেওড়া প্রভৃতি।

পুরাকীর্তি : খুলনা জেলায় হিন্দু, বৌদ্ধ ও মুসলিম আমলের অনেক পুরাকীর্তি ছিল। কালের বিবর্তনে অনেক কীর্তি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। হিন্দু কীর্তির মধ্যে রয়েছে- নগরীর মহেশ্বরপাশার জোড়া মন্দির, যাতার দোল, পাইকগাছা উপজেলার কপিলেশ্বরী মন্দির, রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুত্র পুরুষের বাড়ি ও ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণ ডিহি গ্রামে বিশ্বকবির শ্বশুর বাড়ি প্রভৃতি। কপিলমুনিতে এক সময় অনেক বৌদ্ধ আশ্রম ছিল। এখন তা আর নেই। মুসলিম পুরাকীর্তির মধ্যে আছে- কয়রা উপজেলার মসজিদ কুঁড়ের মসজিদ, বুড়ো খাঁ, ফতে খাঁর মাজার, মদীনাবাদের প্রাচীন কবর। ডুমুরিয়া উপজেলার আরস নগরের মসজিদ, মাগুরা ঘোনার ছালামত খাঁ মাজার, চিংড়ার মসজিদ। ফুলতলা উপজেলার মিছরী দেওয়ান শাহের মাজার, মুক্তেশ্বরী গ্রামের দীঘি, পাইকগাছা উপজেলার সরল খাঁর দীঘি। তাছাড়া খুলনা মহানগরীর পাশে রয়েছে বুড়ো মৌলভীর দর্গা। আরো আছে সুফি খাঁর গড়, খাজা ডাঙ্গার প্রাচীন কবর, মহারাজপুরের কীর্তি, শাকবাড়ের লবণের কারখানা, আলাইপুরের মসজিদ, গোরা ডাকাতের বাড়ি প্রভৃতি।\n\n

কিংবদন্তী : খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে আছে অনেক কিংবদন্তী। সংগৃহিত কিছুসংখ্যক কিংবদন্তির হচ্ছে- বনবিবি, ভূতের বাড়ি, গোরা ডাকাতের বাড়ি, নদীর নাম রূপসা, মিছরী দেওয়ান শাহ, চাঁদবিবি, সোনার কুমড়ো, গাজীর ঘুটো, দুধ পুকুর, কুদির বটতলা, শ্বেত পাথর, পীর ধরম চাঁদ, আলম শাহ ফকির, মহেশ্বরপাশার জোড় মন্দির, ল্যাটা ফকির প্রভৃতি।